এই মুহূর্তে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন আপনার প্রিয় মিষ্টি দই

Published:

দই খেতে কার না ভালো লাগে কিন্ত এখন তো সব মিষ্টির দোকান বন্ধ,দুই এক খানা দোকান খোলা থাকলেও ভালো দই পাওয়া খুব মুশকিল হয়ে গেছে তাই বাড়িতে যদি বানিয়ে ফেলা যায় তাহলে মন্দ হয় না।তাহলে চলুন আজকেই বানিয়ে ফেলি মিষ্টি দই আর বাড়ির সকলের মন জয় করে ফেলি।তবে মনে রাখবেন দই কিন্তু মাটির পাত্রে ভালো বসে কিন্তু অসুবিধা নেই স্টিলের বা কাঁচের পাত্রেও দই বানানো যায় তফাৎ একটাই সেটা হল ঘনত্ব

উপকরণ
2 লিটার দুধ
1 বড়ো কাপ চিনি
½ কাপ জল ঝরানো টক দই

পদ্ধতি
যাঁরা বাড়িতে দই পাতেন নিয়ম করে, তাঁদের পক্ষে টক দই জোগাড় করা সহজ। সে সুবিধে না থাকলে প্যাকেটের দই কিনে জল ঝরিয়ে নিন।
ছাঁকনির উপর দই রাখলেও চলবে,সারা রাত টক দই ছাঁকনির উপর রেখে দিন,(সারা রাতে জল বেরিয়ে যাবে)।
এবার সকালে দুধ জ্বাল দিতে বসান।
গ্যাস বাড়িয়ে রাখুন এবং হাতা দিয়ে সমানে নাড়তে হবে।
দুধ ফুটতে ফুটতে মরে আসবে। ঘন, লালচে হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
অর্ধেক চিনি মেশান। বার বার নাড়তে হবে, সর পড়লে খেতে ভালো লাগবে না।
যাঁরা সাদা দইয়ের ভক্ত, তাঁরা পুরো চিনিটাই মেশান। লাল দইয়ে আরও খাটুনি আছে।
একটা নন-স্টিক প্যান আঁচে বসান, বাকি চিনিটা ঢালুন।
খুব ধীর গতিতে চিনি গরম হবে, তার পর পুড়ে প্রথমে সোনালি ও পরে লালচে রং ধরবে।
চিনি খুব দ্রুত গলে যাবে, দরকারে এই পর্যায়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। ক্যারেমেলের লালচে সোনালি রংটাই আপনার দরকার, তার চেয়ে গাঢ় হলে লাল দইয়ের মজাটাই থাকবে না।
এর মধ্যে দুধ মেশান ধীরে ধীরে, নাড়তে থাকুন সমানে।
ফের খানিকক্ষণ জ্বাল দিতে হবে, দুধ আরও মরে আসবে।
এবার নামিয়ে এক বড়ো চামচ মিল্ক পাউডার মেশাতে পারেন, না মেশালেও চলবে অবশ্য।
সমানে নাড়ুন। একটা সময়ে দুধ ঠান্ডা হয়ে আসবে, সামান্য গরম অবস্থায় টক দই মেশান। (সাদা দইয়ের ক্ষেত্রেও এক নিয়ম)
মেশানোর আগে টক দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন।
দুধে খুব ভালো করে টক দই মিশে গেলেই আপনার কাজ শেষ।
পাত্রে ঢেলে চাপা দিয়ে রান্নাঘরের গরম কোণে রাখুন।
রাখা যায় মাইক্রোওয়েভ বা প্রেশার কুকারের ভিতরেও।
ছয় থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে দই সেট করে যাবে।
তার পর ঠান্ডা করে নিন এবং সপরিবার উপভোগ করুন।

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img